হিদায়েতের চিরন্তন ধারায় ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.)

ড. মুহাম্মদ নাছিরউদ্দীন সোহেল
ভূমিকা: মহান আল্লাহ্ মানুষকে হিদায়েতের পথে পরিচালিত করার জন্য যুগ পরিক্রমায় মহামানব প্রেরণ করেন। আল্লাহ বলেন, “আর আমি যাদের সৃষ্টি করেছি, তাদের মধ্যে এমন একদল আছে, যাঁরা সত্য পথ দেখায় এবং সে অনুযায়ী ন্যায়বিচার করে।” (সূরা আল আ‘রাফ: আয়াত ১৮১) সুতরাং মানবজাতির মাঝে দুটি দল রয়েছে। একটি হলো হিদায়েতের পথ প্রদর্শক, আরেকটি হলো হিদায়েত প্রার্থী। হিদায়েতের পথ প্রদর্শকগণকে ‘মোর্শেদ’ বলা হয়। নবুয়তের যুগে যাঁরা হিদায়েতের পথ প্রদর্শনের দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁরা হলেন নবি-রাসুল। বর্তমানে বেলায়েতের যুগে যাঁরা এই পথ প্রদর্শনের দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁদেরকে অলী-আল্লাহ বলা হয়।
হিদায়েত-এর সংজ্ঞা: ‘হিদায়েত’ আরবি শব্দ। এটি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ পথ প্রদর্শন, সঠিক পথের নির্দেশনা, সত্যের পথে পরিচালনা, কিংবা সত্যের সন্ধান লাভ করা। ইসলামি পরিভাষায় মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য বিশেষ অনুগ্রহ বা সরল পথ লাভের দিকনিদের্শনা হিসেবে হিদায়েত শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এই দিকনিদের্শনা প্রদানের সুমহান দায়িত্বে যাঁরা নিয়োজিত থাকেন, তাঁদেরকে হিদায়েতকারী মহামানব বলা হয়। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “আল্লাহ যাকে হিদায়েত দেন, সে হিদায়েত পায়, আর যাকে তিনি গোমরাহ করেন, আপনি কখনো তার জন্য কোনো মোর্শেদ (সাহায্যকারী পথ প্রদর্শক) অভিভাবক পাবেন না।” (সূরা আল কাহফ: আয়াত ১৭)
হিদায়েতের ধারা চলমান: মানুষ মরণশীল। আল্লাহ বলেন, “প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।” (সূরা আল আম্বিয়া: আয়াত ৩৫) আল্লাহ প্রেরিত মহামানবগণ হিদায়েতের কার্যক্রমের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করে নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহর সাথে মহামিলনে চলে যান। এই মহতী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য সমকালীন যুগের হিদায়েতের দায়িত্ব পালনকারী মহামানব তাঁর ওফাতের পূর্বে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মনোনীত সুযোগ্য উত্তরসূরির পরিচয় জগদ্বাসীর নিকট প্রকাশ করে যান। এই চলমান ধারা সৃষ্টির শুরু থেকে প্রচলিত। মানব জাতির আদি পিতা হযরত আদম (আ.) তাঁর স্থলাভিষিক্ত সুযোগ্য উত্তরসূরির নাম ওফাতের পূর্বে ঘোষণা করে যান। তাঁর ১২০ জন সাহেবজাদার মাঝে হযরত শিশ (আ.) হিদায়েতের পথ প্রদর্শনকারী মহামানবের দায়িত্ব লাভ করেন। মহান আল্লাহ বলেন, “আমি ইব্রাহিম (আ.)-কে দান করলাম পুত্র ইসহাক (আ.) এবং আরো দান করলাম নাতি ইয়াকুব (আ.)। আর তাঁদের প্রত্যেককে করলাম সৎকর্মপরায়ণ। আমি তাঁদেরকে করেছিলাম ইমাম, তাঁরা আমার আদেশ অনুসারে হিদায়েত করতেন। আমি তাঁদের ওহির মাধ্যমে নিদের্শ দিয়েছিলাম— নেক কাজ করতে, নামাজ কায়েম করতে, যাকাত প্রদান করতে এবং তাঁরা আমারই ইবাদত করতেন।” (সূরা আল আম্বিয়া: আয়াত ৭২ ও ৭৩) সুতরা, হিদায়েতের ধারা সর্বকালে, সর্বযুগে একটি চলমান প্রক্রিয়া।
হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ভাষ্য: মহান সংস্কারক হযরত মাহ্বুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) তাঁর রচিত কিতাবসমূহে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন হিদায়েতের মহান দায়িত্ব পালনকারী মহামানবগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন উপাধি যেমন-‘মোজাদ্দেদ’, ‘মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী’, কিংবা ‘নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম’ হিসেবে পর্যায়ক্রমে হিদায়েতের কার্যক্রম চালিয়ে যান। এই প্রসঙ্গে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) বলেন, “মূলে যুগের ইমাম এমনই একটি পদ বা পদবি, এটি নবুয়তের যুগ ও নবুয়ত পরবর্তী বেলায়েতের যুগ-উভয় যুগের জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ সর্বকালে সর্বযুগে আল্লাহর ধর্ম পরিচালনার জন্য হিদায়েতের দায়িত্বে নিয়োজিত মহামানব জগতে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন।” (মুক্তি কোন পথে? পঞ্চম সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১১৯)
হিদায়েতের চিরন্তন ধারায় মহান ইমাম: ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর কেবলাজান হলেন মহান সংস্কারক হযরত মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) এবং কুতুবুল আকতাব হযরত সৈয়দা হামিদা বেগম (রহ.)-এর সম্মানিত মেজো সাহেবজাদা। বর্তমানে তিনি মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমামের সুমহান দায়িত্বে থেকে দেশ ও বিদেশে মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচার-প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী মহামানবের দায়িত্ব লাভের পেক্ষাপট উপস্থাপন করা হলো-
৭ দিন বয়সের অলৌকিক কারামত: অলী-আল্লাহগণের গৌরবদীপ্ত জীবনী মোবারক গবেষণা করলে দেখা যায় যে, হিদায়েতকারী মহামানব হিসেবে যিনি দায়িত্ব পালন করবেন, তাঁর শুভ জন্ম থেকে শুরু করে পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নানা অলৌকিক ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমে মহান আল্লাহ সমকালীন জাতিকে তাঁর মনোনীত পথপ্রদর্শক সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বার্তা দিয়ে থাকেন। যেমন ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানের ৭ দিন বয়সে একটি অনুপম অলৌকিক কারামত সংঘটিত হয়। হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) বলেন, “আমার সাত সন্তানের মাঝে সে পঞ্চম। মাতৃগর্ভের সাত মাস বয়সেই সে দুনিয়াতে আগমন করে। জন্মের সাত দিনের মাথায় আমি আমার দুই হাতের দুটি আঙুল তার দিকে বাড়িয়ে দিয়েছিলাম, সে আমার আঙুল দুটি শক্তভাবে ধরে শোয়া থেকে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্ প্রদত্ত উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়েছিল। শিশু বয়সে যখন সে বসতে পারতো না, তখনকার সময় আমি যখন তার মায়ের সাথে তরিকার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করতাম, তখনই তার জজবাহ হয়ে যেত। আল্লাহর প্রেমের হালতে সে বিছানায় গড়াগড়ি খেত।” (মোহাম্মদী ইসলামের তালিম কিতাবের ইনার পৃষ্ঠায় বর্ণিত)
হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর আস্থা ও বিশ্বস্ততা অর্জন: ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর কেবলাজান মহান সংস্কারক হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর সহবতে থেকে গভীর আধ্যাত্মিক সাধনা ও রিয়াজতের মাধ্যমে অধ্যাত্ম জগতে নিজেকে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত করেন। শৈশব থেকেই তাঁর মাঝে প্রস্ফুটিত হয় সুন্দর চরিত্র তথা তাকওয়া, ওয়াদা পালন, শালীনতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, কর্তব্যপরায়ণতা, ন্যায়বিচার, সততা, সত্যবাদিতা, দয়া, ক্ষমা, সদাচার, সৌজন্যমূলক আচরণ, সহানুভূতি, সহমর্মিতা, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম ইত্যাদি গুণ। তিনি হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত ও হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) কর্তৃক প্রচারিত ‘মোহাম্মদী ইসলাম’ বিশ্বময় প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে নানাবিধ পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সেগুলোর সফল বাস্তবায়ন করেন। মোহাম্মদী ইসলামের স্বর্ণালি অগ্রযাত্রায় তাঁর যুগোপযোগী কর্মপন্থা স্বীয় পিতা ও মোর্শেদ হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-কে বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। এই মুগ্ধতার বিষয়টি বাবা দেওয়ানবাগী (রহ.) তাঁর বিভিন্ন বাণী মোবারকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করেন। স্বীয় যোগ্যতা ও গুণাবলির জন্য তিনি বাবা দেওয়ানবাগীর আস্থা ও বিশ্বস্ততার মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেন। হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর আদর্শ প্রচারে তাঁর অনবদ্য কিছু ভূমিকা উপস্থাপন করা হলো-
১) ২০০২ সালে ১৭ বছর বয়সে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক সফর শুরু করেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাবা দেওয়ানবাগীর আদর্শের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটে।
২) ২০০৩ সালে ১৮ বছর বয়সে www.dewanbagshsrif.org ওয়েবসাইটটি launch করেন, যেখানে বাবা দেওয়ানবাগীর গৌরবদীপ্ত জীবনী মোবারক, শিক্ষা, ধর্মীয় সংস্কার, অলৌকিক করামত, মানবিক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি বিষয়াদি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।
৩) ২০০৭ সালের ১৪ই ডিসেম্বর হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ৫৮তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে ‘সূফী সম্রাট’ নামক স্মরণিকা প্রকাশ করেন, যা প্রতি বছর নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
৪) ২০১০ সালে ২৫ বছর বয়সে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ধর্মীয় ও মানবতাবাদী দর্শন বিশ্বময় প্রচারের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সফর শুরু করেন। এই লক্ষ্যে ৩০টির অধিক দেশ সফর করেন। ফলে বিভিন্ন দেশের মানুষ আত্মশুদ্ধি, দিলজিন্দা, নামাজে হুজুরি ও আশেকে রাসুল হওয়ার শিক্ষা হৃদয়ে ধারণের সুযোগ পান।
৫) ২০১০ সালে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ৬১তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে তিনি নিজের তোলা বাবা দেওয়ানবাগীর দুর্লভ ছবি মোবারক নিয়ে ঢাকার ধানমন্ডির দৃক গ্যালারিতে Photography Exhibition-এর আয়োজন করেন।
৬) ২০১১ সালের ১৯শে জুলাই ২৬ বছর বয়সে বাবা দেওয়ানবাগীর আদর্শ প্রচারের জন্য সৌদি আরব সফর করেন। সেই ঐতিহাসিক সফরে দেশের একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রমূলক চক্রান্তের শিকার হন। তাদের চক্রান্তে ২০১১ সালের ২৬শে জুলাই সৌদি পুলিশ তাঁকে আটক করে। সেখানে ১১ দিনের দুর্বিষহ কারাভোগ করেন।
৭)২০১২ সালে ২৭ বছর বয়সে ‘মোর্শেদের দরবারে মুরিদের করণীয়’ নামক তাসাউফ জগতের অমূল্য কিতাবটি প্রকাশ করেন। এটি তাঁর রচিত ১ম কিতাব। এরপর তিনি আরো দুটি মূল্যবান কিতাব রচনা করেন।
মোহাম্মদী ইসলামের পরিচালনার সুমহান দায়িত্ব লাভ: হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ২০১৩ সালে ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর কেবলাজানকে দেওয়ানবাগ শরীফের ‘সমন্বয়ক ও সমস্যার ফয়সালাকারী’ উপাধিতে ভূষিত করেন। অতঃপর দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজান ২০২০ সালের ২৭শে ডিসেম্বর, রবিবার তাঁকে দেওয়ানবাগ শরীফের অর্ন্তভুক্ত সকল আঞ্চলিক দরবার ও খানকাহ শরীফ পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে ‘মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম’ লকব প্রদান করেন। হিদায়েতের এই সমুজ্জ্বল দায়িত্বলাভের ধারাবাহিকতায় তিনি হযরত রাসুল (সা.)-এর বংশের ২৪তম মহামানব এবং মোহাম্মদী ইসলামের সেজরা শরীফে ৩৭তম মহামানব হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন।
মহান ইমামের দৃপ্ত ঘোষণা: হিদায়েতের চিরন্তন ধারায় ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর কেবলাজান মোহাম্মদী ইসলামের সুমহান শিক্ষা ও আদর্শ বিশ্বব্যাপী সফলতার সাথে প্রচার করছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, “ভবিষ্যতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ থাকবে না, যে দেশে মোহাম্মদী ইসলামের পতাকা সমুন্নত হবে না। এমন কোনো অঞ্চল থাকবে না, যেখানে আশেকে রাসুল থাকবে না। সারা বিশ্বে মোহাম্মদী ইসলাম প্রচার হবে। সারা বিশ্বে মোহাম্মদী ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে।”
উপসংহার: মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর কেবলাজান তাঁর পরিকল্পনা ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আশেকে রাসুলদের মোহাম্মদী ইসলামের দর্শনসমূহ ও মোর্শেদ প্রেমের ফায়েজ হৃদয়ে ধারণ করার শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। এই শিক্ষা আমলের মাধ্যমে শরিয়ত ও মারেফাত উভয় বিদ্যায় বিদ্বান হওয়া সম্ভব। সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে তিনি মোহাম্মদী ইসলামের আদর্শ প্রচারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি দৃপ্ত কণ্ঠে বলেন, “সবার ওপর মোর্শেদ সত্য, তাঁর ওপরে নাই।” তাঁর আধ্যাত্মিক প্রজ্ঞা, অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা, নেতৃত্বদানের ক্ষমতা ও সাংগঠনিক যোগ্যতার ফলে মোহাম্মদী ইসলাম অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। এই স্বর্ণালি অগ্রযাত্রায় মোহাম্মদী ইসলামের নব দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।
[লেখক: গবেষক, কদর রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন্স, ঢাকা; কলামিস্ট (জাতীয় বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা); সাবেক সহযোগী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, পিইউবি]
